হালের গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) ও তার ভালো মন্দের প্রভাব

বিজ্ঞানীদের নিত্যনতুন আবিষ্কারে প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে আমাদের জগত। প্রযুক্তির উন্নয়নে বদলে যাচ্ছে দেশ, বদলে যাচ্ছে গতানুগতিকতা, বিবর্তন ঘটছে মানুষের জীবনধারায়। মানুষের জীবন সহজ, আরামদায়ক ও নিরাপদ করতে প্রযুক্তি অবদান রাখছে বড়মাত্রায়। জীবনের মুখ্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে প্রযুক্তি। বিজ্ঞানীদের প্রতিনিয়ত আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবনে বদলে যাচ্ছে বিশ্ব -প্রযুক্তির পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজ। গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) বা বিশ্বগ্রাম বলতে সাধারণত এমন একটি ধারণা কে বোঝানো হয়, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন পরস্পরের সাথে খুব সহজে যাতায়াত ও ভ্রমণ, গণমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্ত থাকে এবং একক কমিউনিটি তে পরিণত হয়। অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বকে বিশ্বগ্রাম বলা হয়। যেখানে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে আমরা একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত হতে পারি। সহজ কথায়, আমরা আমাদের গ্রামে বসবাস করলে যেমন গ্রামের প্রত্যেকটা মানুষের খোঁজ-খবর খুব সহজেই নিতে পারি ঠিক তেমনি গ্লোবাল ভিলেজ আমাদের বিশ্বকে এমন একটা গ্রামে পরিণত করেছে যে, এখন আমরা পৃথিবীর যেকোনো কোণায় থেকেও আমরা আমদের প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান এবং সহজেই ব্যবসায়ের প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারছি। গ্লোবাল ভিলেজ এর কল্যাণে এখন আমরা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে থেকেও আমাদের প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছি প্রতিটা মুহূর্তের মধ্যে। শুধু আমরা আমাদের প্রিয়জনদের সাথে সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ করি নাই তার সাথে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে পরস্পর পরস্পরের সাথে নির্ভরশীল। গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) বা বিশ্বগ্রাম পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের ন্যায় বসবাস করবে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও সেবা প্রদান করবে। ১৯৬২ সালে বিশ্বগ্রামের এই ধারণা ক্যানাডিয়ান দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান (Marchall Mcluhan) সর্বপ্রথম তার ‘The Gutenberg Galaxy’ বইয়ে উল্লেখ করেন। Marchall Mcluhan-এর মতে বিশ্বগ্রাম বলতে এমন একটি ধারণাকে বোঝানো হয়, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত‌রে লোকজন পরস্পরের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ, কথোপকথন, গণমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্ত থাকে এবং ক্রমেই একটি একক গ্রামে পরিণত হয়। এক কথায়, বৈদ্যুতিক প্রযুক্তি এবং তথ্যের দ্রুত বিচরণ দ্বারা বিশ্ব একটি গ্রাম বা ভিলেজের রূপ লাভ করেছে। এই জন্য মার্শাল ম্যাকলুহানকে বিশ্বগ্রামের জনক বলা হয়।

বিশ্বগ্রাম মূলত উন্নত বিশ্ব এবং প্রযুক্তিতে অগ্রসর কিছু উন্নয়নশীল দেশকে বোঝায়। এসব দেশ ছাড়াও অনেক অনুন্নত দেশ রয়েছে যাদের কাছে এখনো প্রযুক্তির সুবিধা এখনো পর্যাপ্তভাবে প‌ৌঁছায়নি। উন্নত ও প্রযুক্তিবাদী দেশগুলোর মুনাফা অর্জনের অন্যতম উপায় তথ্যপ্রযুক্তিগুলো খুব দ্রুত অনুন্নত দেশগুলোতে ছড়িয়ে দেওয়া। অনেক উন্নয়নশীল দেশ রয়েছে যাদের অনেক নাগরিক ও অনেক অঞ্চল তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধা থেকে বঞ্চিত, তা সত্ত্বেও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুনিয়া জুড়ে এক অভাবনীয় অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শহর ও গ্রামের ভেদরেখা বিলুপ্ত করে সবকিছু একাকার করে দিয়ে একদিন নির্মিত হবে সেই বিশ্বগ্রাম! সেখানে শোষণ ও বৈষম্য অনেকাংশে বিলুপ্ত হয়ে যাবে, দারিদ্র্য- বিমোচন হবে, অশিক্ষার অন্ধকার দূরীভূত হবে, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-লিঙ্গ ও জাতিসত্তাগত সব ধরনের বিভেদ মুছে যাবে। ফলে আশা করা যায় যে বর্তমান শতাব্দীতে প্রযুক্তিনির্ভর যোগাযোগের যে গণজোয়ার চলছে, এই জোয়ারের স্রোতে সারা পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্ত‌ের প্রত্যেক মানুষই অন্তর্ভুক্ত হবে এবং আমাদের এই বিশ্বগ্রাম কথাটি বাস্তবে পরিণত হবে। বিশ্বগ্রামের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ খুব সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারেনি। তবে আয়তনে ছোট দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে যে অবস্থান সৃষ্টি করে নিয়েছে, তা অবশ্যই আশাব্যঞ্জক। দক্ষিণ এশিয়ার ছোট এই দেশটি মাত্র ১৯৯৬ সালে যোগাযোগ প্রযুক্তির মহাসড়ক ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। বিগত দুই দশকে অনেক উন্নতি করেছে। যোগাযোগ প্রযুক্তির সবচেয়ে উন্নত মাধ্যম সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে ২০০৪ সালে। যদিও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো শক্তিশালী নয়, তারপরও বাংলাদেশের জনসংখ্যা বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য করছে। বিগত এক দশকে বাংলাদেশের সবচেয়ে উন্নতির দিক হলো মোবাইল কমিউনিকেশন। এই খাতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত অগ্রসরমাণ দেশ। এ দেশের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা এবং ৯৫ শতাংশ এলাকা বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মুদ্রণ ও সম্প্রচার মাধ্যমের পাশাপাশি অনলাইন মিডিয়া জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) ২০১২ সালের প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। আর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ইন্টারনেটের আওতায় আছে ২০ শতাংশের বেশি পরিবার। তবে এ হার মাত্র ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার দ্রুত বাড়ছে। তবে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সহজলভ্য ও দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যমে হচ্ছে ইন্টারনেট। এই খাতে বাংলাদেশের অবস্থান ততটা দৃঢ় না হলেও এই খাতে খুব শিগগির বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এবং বিশ্বগ্রামের অন্যতম অংশীদার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পারবে। বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুনিয়া জুড়ে এক অভাবনীয় অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শহর ও গ্রামের ভেদরেখা বিলুপ্ত করে সবকিছু একাকার করে দিয়ে একদিন নির্মিত হবে সেই বিশ্বগ্রাম! সেখানে শোষণ ও বৈষম্য অনেকাংশে বিলুপ্ত হয়ে যাবে, দারিদ্র্য- বিমোচন হবে, অশিক্ষার অন্ধকার দূরীভূত হবে, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-লিঙ্গ ও জাতিসত্তাগত সব ধরনের বিভেদ মুছে যাবে। ফলে আশা করা যায় যে বর্তমান শতাব্দীতে প্রযুক্তিনির্ভর যোগাযোগের যে গণজোয়ার চলছে, এই জোয়ারের স্রোতে সারা পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্ত‌ের প্রত্যেক মানুষই অন্তর্ভুক্ত হবে এবং আমাদের এই বিশ্বগ্রাম কথাটি বাস্তবে পরিণত হবে। আর এ ক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষিত ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ ও যুবশক্তি।

যে মাধ্যমগুলো গ্লোবাল ভিলেজ তৈরিতে বড় অবদান রেখেছে তা হলোঃ
১। হার্ডওয়্যারঃ
বিশ্বগ্রামে যে কোন ধরণের যোগাযোগ এর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত হার্ডওয়্যার। যেমন- কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল যন্ত্রপাতি, মোবাইল, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি।
২। সফটওয়্যারঃ
কোন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখিত নির্দেশনার সমাবেশকে প্রোগ্রাম বলে। আবার কতগুলো প্রোগ্রামের সমাবেশকে সফটওয়্যার বলে। বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য হার্ডওয়্যার এর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার প্রয়োজন। বিভিন্ন ধরণের সফটওয়্যার যেমন- অপারেটিং সিস্টেম, ব্রাউজিং সফটওয়্যার,কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।
৩। নেটওয়ার্ক বা কানেক্টিভিটিঃ
বিশ্বগ্রামের মেরুদন্ড হলো নেটওয়ার্ক বা কানেকটিভিটি যার মাধ্যমে বিভিন্ন উপাত্ত ও তথ্য এই বিশ্বগ্রামের প্রতিটি মানুষের নিকট পৌছাতে পারে।
৪। ডেটা বা ইনফরমেশনঃ
সুনির্দিষ্ট ফলাফল বা আউটপুট পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামাল সমুহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে। অপরদিকে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ পরবর্তী অর্থপূর্ণ রূপ হলো ইনফরমেশন বা তথ্য। বিশ্বগ্রামে এই ডেটা বা ইনফরমেশন মানুষের প্রয়োজনে একে অপরের সাথে শেয়ার করা হয়।
৫। সোশ্যাল মিডিয়াঃ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মোবাইল প্রযুক্তিগুলি যেভাবে মানুষের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ করে দিয়েছে এবং সমাজে ব্যক্তিদের মধ্যে কীভাবে তথ্য ভাগ করা এবং একে অপরকে সাবধানতার সুযোগ করে দিচ্ছে এসকলই হচ্ছে মূলত গ্লোবাল ভিলেজ এর কল্যাণে। প্রাথমিকভাবে ইন্টারনেটের কল্যানেই মূলত এই গ্লোভাল ভিলেজের ধারণার উদ্ভব। ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে নানা ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে যেমনঃ ফেসবুক, স্কাইপি, ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপস ইত্যাদি। সত্যিই ইন্টারনেটের প্রসারের ফলে আমরা আমাদের জীবনকে আরও উন্নত পর্যায়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে এক অপরের সাথে যোগাযোগের জন্য।
৬। মানুষের সক্ষমতাঃ
যেহেতু বিশ্বগ্রাম মূলত তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থা ,তাই বিশ্বগ্রাম বাস্তবায়নের জন্য মানুষের সচেতনতা ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবকাঠামো ব্যবহারের সক্ষমতা থাকতে হবে। অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবকাঠামো ব্যবহারের সক্ষমতা না থাকলে বিশ্বগ্রাম বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

এবার জেনে নেয়া যাক গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) বা বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার সুবিধা বা ইতিবাচক দিক সমূহঃ
যারা বিশ্বব্যপী বা বৈশ্বিক বাণিজ্য করতে আগ্রহী তাদের জন্য গ্লোবাল ভিলেজ আর্শীবাদ স্বরুপ।আমরা এখন খুব সহজেই আমাদের পণ্য বা পরিষেবা গুলোকে আরও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান সংস্থান করতে পারছি। গ্লোবাল ভিলেজে বিনিয়োগের সুযোগগুলি জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বব্যপী প্রসারিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে ব্যবসা বাণিজ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমদানি-রপ্তানি করছে যার ফলে প্রতিবছর অনেক বৈদেশিক মুুদ্রা আয় করা সম্ভব হচ্ছে।যেকোনো পণ্য/পরিষেবা বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক শক্তির কারণে বাজারে অনেক কম দামে আনা সম্ভব হচ্ছে। তা ছাড়া যে কোনও ধরণের তথ্যের তাৎক্ষনিক অ্যাক্সেস, বিশ্বের অন্যান্য ব্যক্তিদের সাথে সম্পর্ক এবং বিনোদন সবই ইন্টারনেট সরবরাহ করে যার গ্লোবাল ভিলেজ তৈরিতে বড় অবদান। বিশ্বজুড়ে আরও ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ গ্লোবাল ভিলেজের এক বড় অবদান। Global Village এর কল্যণে বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয় চলে আসছে এবং বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতাও বেড়েছে যার ফলে আমরা এখন সবচেয়ে ভালো জিনিসটাকে মূল্যায়ণ করতে পারছি এবং ব্যবহার করছি স্বল্পমূল্যে। একটা সময় আমরা অন্যান্য দেশের সংস্কৃতি এবং তাদের রাজনৈতিক প্রসার জানতে পারতাম না কিন্তু বর্তমান সময়ে তা খুবই সহজতর। Global Village সত্যিই আমাদের জীবনকে আরও উন্নত করেছে, যদি আমরা আমাদের পূর্ববর্তী কয়েক দশক বিবেচনা করি তাহলে আমরা বুঝে যাব Global Village কতটা অবদান রেখেছে আমদের জন্য।

প্রতিটি ভালো কাজের মাঝে পাশ্ব প্রতিক্রিয়ার মতো কিছু অসুবিধাও রয়েছে। তেমনি গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) বা বিশ্বগ্রাম আমদের অনেক সুবিধা দিচ্ছে কিন্তু এর কিছু অসুবিধাও আছে। এবার জেনে নেয়া যাক গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) বা বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার অসুবিধা বা নেতিবাচক দিক সমূহঃ
১। ইন্টারনেটের অপব্যাবহার করা হচ্ছে বর্তমানে।
২। অবিশ্বাস্য বা অসত্য তথ্য পোস্ট করার মাধ্যমে মানুষকে দ্বিধাগ্রস্ত করছে।
৩। যদি অসত্য জিনিস ভাইরাল হয়ে যায় সোশাল মিডিয়াতে কতিপয় মানুষ তা বিশ্বস করে নিচ্ছে কোনো বিবেচনা ছাড়া।
৪। অতি উন্নত দেশগুলি অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশগুলির উন্নয়নকে কমিয়ে দিচ্ছে বাজার দখল করে।
৫। ব্যবসায়ে প্রতিযোগীতা বৃদ্ধির ফলে ব্যবসায়ীগণ খরচ কমানোর জন্য অবৈধ পথ বেছে নিচ্ছে যা ভোক্তা সমাজের জন্য বড় ক্ষতিকর হতে পারে।
৬। প্রতিযোগিত বৃদ্ধির ফলে ব্যবসায় বাণিজ্যের ছোট ক্ষেত্রগুলোতে নতুন উদ্যোক্তা ব্যবসা শুরু করার সাহস পাচ্ছে না। তবে আমরা ইচ্ছা করলে এসব অসুবিধাগুলো খুব সহজেই পরিহার করতে পারি, আর তার জন্য প্রয়োজন আমাদের সচেতনতা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
ব্রেকিং নিউজ২৪.কম:-&ফেসবুক-১:-&ফেসবুক-২
nuru.etv.news@gmail.com

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.